চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানের পক্ষ থেকে শ্রীশ্রী দেওয়ানেশ্বরী সার্বজনীন কালী বাড়ী মন্দিরের সার্বিক উন্নয়ন ও ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আর্থিক সহযোগিতার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

২০২৬-২৭ ইং মেয়াদের শ্রীশ্রী দেওয়ানেশ্বরী সার্বজনীন কালী বাড়ী পরিচালনা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চেক হস্তান্তর করা হয়। এ সময় মন্দিরের উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা, ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং ভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেন, “দেওয়ানেশ্বরী সার্বজনীন কালী বাড়ী আমাদের ঐতিহ্য ও ধর্মীয় সম্প্রীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মন্দিরের সার্বিক উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন ও ভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে আমাদের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ আরও সুদৃঢ় করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর ইতিবাচক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উপদেষ্টা বাবলু চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক বাপ্পি দে, সচেতন সনাতনী নাগরিক সমাজের মুখপাত্র মিঠুন দে, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি টিংকু বিশ্বাসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া শ্রীশ্রী দেওয়ানেশ্বরী সার্বজনীন কালী বাড়ী পরিচালনা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজেশ পাল, সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ মজুমদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক ছোটন পাল এবং যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শুভ পালসহ পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বক্তারা মন্দিরের ধর্মীয় কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং ভক্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা বলেন, মন্দিরের উন্নয়ন শুধু একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়; এর সঙ্গে স্থানীয় ঐতিহ্য, ধর্মীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়টিও জড়িত। এ কারণে মন্দিরের উন্নয়নে পাওয়া আর্থিক সহযোগিতা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।