চ্যানেল ওম নিউজ ডেস্ক
বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম-সচিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড সদস্য বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ সুমন বড়ুয়া বলেন, সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার বিকল্প নেই। আলোকিত প্রজন্ম গড়তে অভিভাবকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গীতাশিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক চেতনার উন্মেষ ঘটায়। ধর্মচর্চা মানুষের জীবনকে পরিশুদ্ধ করে। গীতাশিক্ষার মাধ্যমে আজকের শিশুরা আলোকিত নাগরিক হয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখে। গত ২২ মে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই-বিপ্লব হলে বাগীশিক অনুমোদিত গীতাধ্বনি সনাতন বিদ্যামন্দিরের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত গীতা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী অধ্যাপক ডা. মৌমিতা দাশের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের পরিচালক, সাবেক প্রভাষক পলাশ কান্তি নাথ রণীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবক ফোরাম-চট্টগ্রাম'র সভাপতি সমাজসেবক শিবু প্রসাদ দত্ত। মহান অতিথি ছিলেন গীতাঞ্জলি মাতৃ সম্মিলনীর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শুক্লা দেবী, বিশিষ্ট সমাজহিতৈষী ও যশস্বী হোমিওচিকিৎসক ডা. রিপন কান্তি দেবনাথ। প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম মহানগর সংসদের সভাপতি প্রকৌশলী সঞ্জয় চক্রবর্তী (মানিক)। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসির এভিপি এডাম ম্যাথিউ গনসালভেজ, তরুণ সমাজসেবক সৈকত মহাজন সাজু, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. বিকিরণ বড়ুয়া, কেলিশহর আরবান কো-অপারেটিভ লিমিটেডের চেয়ারম্যান আশীষ দে (মনি), রামগতি উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা বাবলু দাশ, সমাজসেবক ও সংগঠক সবুজ চক্রবর্তী, কবি ও কন্ঠশিল্পী বনানী শেখর রুদ্র, বাগীশিক কোতোয়ালী থানা সংসদের সাধারণ সম্পাদক তুর্জয় দাশ। সঙ্গীত পরিবেশন করেন কন্ঠশিল্পী প্রান্ত তালুকদার ও নবনীতা গোস্বামী। অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী সমবেত গীতাপাঠ করেন এবং আলোকিত মায়েদের বৃক্ষের চারা প্রদান করা হয়। এছাড়াও দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল- মঙ্গলদীপ প্রজ্জ্বালন, কৃতীশিক্ষার্থী ও আলোকিত মা সংবর্ধনা, শিক্ষাসামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ, বৃক্ষের চারা বিতরণ, বই বিতরণ, অভিভাবক সম্মাননা, রক্তের গ্রুপিং, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ|।
Create a Social Card
Convert this news into a shareable image card instantly.