চ্যানেল ওম নিউজ ডেস্ক

গাইবান্ধা পৌর মহাশ্মশানের জমি দখলের চেষ্টা ও শ্মশান কমিটির সভাপতির ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হয়।

শনিবার দুপুরে জেলা শহরের ডিবি রোডে আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

শ্মশান কমিটির সভাপতি রবিন সেনের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন প্রসাদের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিহির ঘোষ, আদিবাসী বাঙালি সংহতি পরিষদের সদর উপজেলা আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী মুসা, সাংবাদিক জাভেদ হোসেন, হেদায়েতুল ইসলাম বাবু, লালচান বিশ্বাস সুমন, সনাতন সংঘের সাধারণ সম্পাদক বিমল চন্দ্র দাস, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল সাহা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ঐক্য ফ্রন্টের বিপুল চন্দ্র দাশ, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি সুমন চক্রবর্ত্তী, কালী মন্দির কমিটির রঞ্জন সাহা এবং পৌর মহাশ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক মানিক সরকার।

মানববন্ধনে শ্মশান কমিটির সভাপতি রবিন সেন অভিযোগ করেন, পৌর এলাকার জুম্মাপাড়ায় অবস্থিত মহাশ্মশানের জমি রাতের আঁধারে দখলের চেষ্টা করেন স্থানীয় মাসুদ রানা ও তার সহযোগীরা। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।

তিনি আরও বলেন, পরদিন সদর থানায় এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা গ্রহণ করে মাসুদ রানা ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। অন্যথায় গাইবান্ধাসহ উত্তরাঞ্চলজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছেন। তার দাবি, শ্মশান কমিটির সভাপতি রবিন সেনের ওপর হামলার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।