টমাস দেব নাথ
গত ১৬ই জানুয়ারি রোজ শুক্রবার সৎসঙ্গ ওমান রুই এর পক্ষ থেকে মাস্কেটের বাইরে আল মোসানা আল ওয়াটিন ফার্মহাউস এ শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের শুভ বনভোজন অনুষ্ঠান মহা সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়েছে।
বিভিন্ন জায়গা থেকে সনাতনী দাদারা ও মেয়েরা সপরিবার সকলের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানটি চিত্তাকর্ষক হয়।
অনুষ্ঠান শুরু হয় সৎসঙ্গ শঙ্খধ্বনি, সমবেত বিনতি প্রার্থনা, বাণীপাঠ,  ভজন ও কীর্তন ইষ্ট প্রসঙ্গ মাধ্যমে উদযাপিত হয়।
দিনের আনুষ্ঠান মধ্যে আরো ছিল খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,   গীতার শ্লোক আবৃত্তি, ধর্মীয় কুইজ প্রতিযোগিতা,  পুরস্কার বিতরণী সভা  সহ নানা ধর্মীয় কর্মসূচী পালিত হয়।  
দুপুরে আগত  ভক্তবৃন্দের মাঝে ভান্ডারা (প্রসাদ) বিতরণ করা হয়
উল্লেখ,  আজ থেকে অনেকদিন আগে কার ঘটনা। পরমপ্রেমময় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র তার জৈষ্ঠ পুত্র পরম পূজনীয় শ্রীশ্রীবড়দাকে নিয়ে মানিকপুরে বেড়াতে যান। শ্রীশ্রী ঠাকুর বড়দাকে বললেন এই মানিকপুরে যদি একদিন খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সেদিন ছিল বাংলার 1375 সন। আরো বেশ কিছুদিন পর শ্রী শ্রী ঠাকুর বড়মা ও শ্রী শ্রী ঠাকুরের জৈষ্ঠ কন্যা সান্তনা মৈত্র কে সঙ্গে নিয়ে মানিকপুর এ যান। ঠাকুরের জৈষ্ঠ কন্যা সান্তনা মৌত্রের ওই মানিকপুর খুব ভালো লাগে। তিনি শ্রী শ্রী ঠাকুর কে ঠাকুর ও বড়মা দুজনেই সেদিন ছিল 9 জানুয়ারি। শ্রী বৌদি তত্ত্বাবধানে সব একদিন ওখানে উৎসব খাওয়ার জন্য বললেন। রাজী হলেন। শ্রী ঠাকুরের কথা মত শ্রীশ্রীবড়দা বাড়িতে রাঙ্গা আয়োজন করা হলো। মানিকপুর থেকে দু ফারলং দুরে সরকারি রির্জাফ ফরেস্ট দুতাবাঁধে ঐ খানে রান্না করে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হল। অনেক নর নারী উপস্থিত হলেন। কিছু খন পর ঠাকুরের অসুস্থ লাগার জন্য ঠাকুরকে দেওঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। ঠাকুরের জন্য ঠাকুর ভোগ দেওঘরে পাঠানো হয়। বাকীরা মানিকপুরে থেকে উৎসব পালন করেন। সেই দিন থেকে প্রতি বছর 9 জানুয়ারী বনভোজন হয়ে থাকে।
শেষে  সন্ধায় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের  সমবেত  প্রার্থনা ও ধ্বনি মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।