মূলত, দীপাবলী হলো আলোর উৎসব। অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক এটি। অন্ধকারকে দূর করে শুভ ও কল্যাণের প্রতিষ্ঠায় এ উৎসব উদযাপন করা হয়।
দুর্গা ও কালীপূজার মধ্যে বিশেষ পার্থক্য হলো দুর্গা অন্নদাত্রী উর্বরা শক্তির দেবী। অপরদিকে, কালী ঘূর্ণি প্রলয়ের দেবী। বলা হয়ে থাকে, কালী দুর্গার ললাট থেকে উৎপন্না, অর্থাৎ ললাটের সংকোচনেই ক্রোধভাবে প্রকাশিত হয় বলে কালী সদা ক্রোধান্বিত। বাস্তবিক কালি দুর্গারই রূপান্তর বিশেষ।
শাস্ত্রমতে দেবী কালীর ১১টি রূপের আলাদা আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। কালীপূজার এই আরাধনাকে শ্যমাপূজো বা মহানিশি পূজাও বলা হয়।
পূজা উপলক্ষে মন্দিরগুলো সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কালীপূজাতে গৃহে বা মন্ডপে মৃন্ময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়।লোকবিশ্বাস অনুযায়ী কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। তাই বিভিন্ন অঞ্চলে শ্মশানে মহাধুমধামসহ শ্মশানকালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়
Create a Social Card
Convert this news into a shareable image card instantly.